ওরা তো আমাদের শিশুদেরই মতো

এটা ছিল শাহানার প্রথম বিদেশভ্রমণ। শাহানা একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার নিজের স্কুল আর নিউইয়র্কে তাদের একটি পার্টনার স্কুলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি স্টুডেন্ট-এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সূত্রে শাহানার এ ভ্রমণ। প্রতি গ্রীষ্মে তাদের স্কুল থেকে নির্বাচিত হয়ে একজন ছাত্র বা ছাত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যায়। সেখানে তাদের পার্টনার স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে সপ্তাহচারেক তার থাকার ব্যবস্থা করা হয়। এর বিপরীতে সে-বছরের শীত-মৌসুমেই ওই স্টুডেন্ট-এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে একজন আমেরিকান ছাত্র বা ছাত্রীও বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ পায়। Continue reading “ওরা তো আমাদের শিশুদেরই মতো”

ইউটিউব নিষেধাজ্ঞা এবং অগ্রগতির সঠিক পথ

“ইন্নোসেন্স অভ মুসলিমস” মুভির ১৪ মিনিটের ট্রেইলারটি, যে মুভির অস্তিত্ব হয়ত আছে, হয়তবা নাই, ডাহা নির্বোধ এবং দুর্বলভাবে নির্মিত। মুসলিম হোক বা না হোক, বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন যে কারো কাছে এটা দেখা বেদনাদায়ক হবে। ইজিপ্সিয়ান বংশদ্ভুত আমেরিকায় অভিবাসী নাকৌলা ব্যাসেলেই নাকৌলা প্রযোজিত ট্রেইলারটা প্রথমে ইউটিউবে আপলোড করা হয় ২০১২ সালের জুলাই মাসে। সে সময় থেকে সেপটেম্বর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এটি কারোরই মনোযোগ আকর্ষণ করেনি। তারপর, সেপ্টেম্বারের ৮ তারিখ, মিশরের টেলিভিশন উপস্থাপক খালেদ আব্দুল্লাহ ফিল্মটার উপর রিপোর্ট করেন এবং ট্রেইলারটার আরবী সংস্করনের কিছু অংশ দেখান। তারপর কী হলো তা আমাদের সবার জানা। Continue reading “ইউটিউব নিষেধাজ্ঞা এবং অগ্রগতির সঠিক পথ”

The YouTube ban and the right road to development

The 14-minute trailer of the movie titled “Innocence of Muslims,” a movie that may or may not exist, is poorly made and outright stupid. Anyone of even modest intelligence, Muslim or not, will find it painful to watch. The trailer, produced by Egyptian-born U.S. resident Nakoula Basseley Nakoula, was initially uploaded to YouTube in July 2012. From that time until September it got the attention it deserves: none. Then, on September 8, Egyptian television host Khaled Abdallah reported on the film and showed excerpts of an Arabic version of the trailer. We all know what happened next. Continue reading “The YouTube ban and the right road to development”

Children like yours

It was Shahana’s first trip abroad. Shahana was a 10th-grader at an English medium school in Dhaka, and she was part of a student exchange program that had been jointly established by her school and a partner school in New York City. Every summer, a student from her school is selected and sent to the United States to spend four weeks with the family of a student at their partner school. In return, an American student then spends four weeks in Bangladesh in the following winter. Continue reading “Children like yours”

বাংলাদেশের অদৃশ্য সংখ্যালঘু

ছেলেবেলা থেকেই বাবু ও আরিফের মধ্যে বন্ধুত্ব। তারা এক সাথে স্কুলে যেত, একই ক্রিকেট দলে খেলতো আর তাদের নিজেদের মধ্যে কোন গোপনীয়তা ছিল না- অবশ্য একটি ছাড়া, যা সম্প্রতি দেখা দিয়েছে। একদিন যখন তারা ঢাকা শহরের কোথাও দাঁড়িয়ে ফুচকা খাচ্ছিলো, এমন সময় আরিফ হঠাৎ কয়েক মুহূর্তের জন্য বিব্রতকর ভাবে নিশ্চুপ হয়ে যায়। Continue reading “বাংলাদেশের অদৃশ্য সংখ্যালঘু”

LGBT গোষ্ঠীর ৩৭৭ ধারা প্রত্যাহারের আহবান

স্যাম ২৫ বছরের উচ্চশিক্ষিত একজন যুবক। সে ঢাকায় বসবাসরত বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। ছয় বছর আগে, উনিশ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রী শেষ করার পর সে আবিষ্কার করলো যে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক রীতি থেকে তার যৌণ প্রবনতা আলাদা। বর্তমানে একজন পুরুষের সাথে তার রোমান্টিক সম্পর্ক রয়েছে। আগে তার নারীদের সাথেও যৌণ সংযোগ ঘটেছিল এবং নিজেকে সে উভকামী (Bisexual) হিসেবে বিবেচনা করে। স্যাম এবং তার পুরুষ বন্ধুটি একসাথে ঘুরে বেড়ায়, ঢাকার রাস্তায় হাত ধরাধরি করে হাঁটে এবং যখন একে অন্যের বাসায় যায় তখন একই বিছানায় শোয়। যেহেতু বাংলাদেশে দু’জন পুরুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ঐতিহ্যগতভাবে খুবই স্বাভাবিক হিসেবে বিবেচ্য, সে কারণে এই গোপন চর্চ্চা তাদের অনুমানকৃত বিষমকামি (Heterosexual) পরিচয়ের উপর কোন সন্দেহের ছায়া পড়তে দেয় না। স্যাম ও তার পুরুষ বন্ধুটির সম্পর্ককে পরিবার এবং বন্ধুরা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হিসেবে মনে করে। স্যামের ব্যাখ্যা, “যতক্ষন পর্যন্ত আপনি আপনার পরিবারের কাছ থেকে এটা লুকিয়ে রাখবেন, ততক্ষন পর্যন্ত আপনি নিরাপদ।” স্যাম তার প্রকৃত নাম নয়। সম্ভাব্য সামাজিক এবং আইনি পরিণতি সম্পর্কে ভীত স্যাম শুধুমাত্র ছদ্মনামেই কথা বলতে রাজী হয়েছে। Continue reading “LGBT গোষ্ঠীর ৩৭৭ ধারা প্রত্যাহারের আহবান”

British Empire’s homophobic legacy eroding in South Asia

Great empires may come and go, but like the tides, they leave behind a tangled assortment of flotsam and jetsam. In the case of the British Empire, that included much that one might admire, but also a British Protestant morality that was codified in laws that persist to this day. Section 377 of the colonial Penal Code is a striking example. It classed consensual oral and anal sex as “carnal intercourse against the order of nature” and made it a crime punishable with imprisonment for life. When the British administrators withdrew, they took their soldiers, but left their law books behind. Section 377 was recently repealed in India, but it is still very much on the books in Bangladesh. Continue reading “British Empire’s homophobic legacy eroding in South Asia”