Montreal Declaration on Animal Exploitation

The Montreal Declaration on Animal Exploitation is a public condemnation of animal exploitation. As of now, more than 500 researchers in moral and political philosophy from across the globe and various philosophical traditions have signed the Declaration. I am one of them. In philosophy, such agreement is rare. Its part of a growing consensus that common human practices that involve treating non-human animals as mere commodities are fundamentally unjust and morally indefensible.

Two friends – Dr. Pradip Kumar Roy, a former Professor in the University of Dhaka’s Department of Philosophy and Wilson John Simon, a faculty member in Philosophy at the University of Dar es Salaam and my former MA student – have translated the Declaration into Bangla and Kiswahili. Please find the English original and the Bangla and Kiswahili translations below. The French version can be found here, along with links to translations into other languages. For the list of signatories, click here. If you are a researcher in moral or political philosophy, you can sign the Declaration here.

Montreal Declaration on Animal Exploitation

We are researchers in the field of moral and political philosophy. Our work is rooted in different philosophical traditions, and we rarely find ourselves in agreement with one another. We do agree, however, on the need for a profound transformation of our relationships with other animals. We condemn the practices that involve treating animals as objects or commodities.

Insofar as it involves unnecessary violence and harm, we declare that animal exploitation is unjust and morally indefensible.

In ethology and neurobiology, it is well established that mammals, birds, fish, and many invertebrates are sentient – i.e., capable of feeling pleasure, pain and emotions. These animals are conscious subjects; they have their own perspective on the world around them. It follows that they have interests: our behaviours affect their well-being and can benefit or harm them. When we injure a dog or a pig, when we keep a chicken or a salmon in captivity, when we kill a calf for his meat or a mink for her skin, we seriously contravene their most fundamental interests.

Yet, all of these harms could be avoided. It is obviously possible to refrain from wearing leather, attending bullfights and rodeos, or showing children captive lions in zoos. Most of us can already do without animal foods and still be healthy, and the future development of a vegan economy will make things even easier. From a political and institutional standpoint, it is possible to stop viewing animals merely as resources at our disposal.

That these individuals do not belong to the species Homo sapiens is morally irrelevant: while it may seem natural to think that animals’ interests count less than the comparable interests of humans, this speciesist intuition does not stand up to close scrutiny. Everything else being equal, mere membership of a biological group (be it delineated by species, skin colour, or sex) cannot justify unequal consideration or treatment.

There are differences between humans and other animals, just as there are differences among individuals within species. Admittedly, some sophisticated cognitive abilities give rise to particular interests, which in turn may justify particular treatments. But a subject’s ability to compose symphonies, to make advanced mathematical calculations, or to project oneself into a distant future, however admirable, does not affect the consideration due to his or her interest to feel pleasure and not to suffer. The interests of the more intelligent among us matter no more than the equivalent interests of the less intelligent. To say otherwise would amount to ranking individuals according to faculties that have no moral relevance. Such an ableist attitude would be morally indefensible.

It is therefore difficult to escape this conclusion: because it unnecessarily harms animals, animal exploitation is fundamentally unjust. It is therefore essential to work towards its disappearance, especially by aiming at the closure of slaughterhouses, a ban on fishing, and the development of plant-based food systems. We have no illusion; such a project will not be achieved in the short term. In particular, it requires renouncing entrenched speciesist habits and transforming numerous institutions fundamentally. We believe, however, that the end of animal exploitation is the only shared horizon that is both realistic and just for nonhumans.

প্রাণী-শোষণ সম্পর্কে মন্ট্রিয়েল ঘোষণা

আমরা নৈতিক এবং রাজনৈতিক দর্শনের গবেষক। আমাদের গবেষণা মূলত বিভিন্ন দার্শনিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে আমরা পরস্পরের অভিমতের সঙ্গে খুব কমই সহমত পোষণ করতে দেখি। কিন্তু আমরা সকলেই এ বিষয়ে একমত পোষণ করি যে, অন্যান্য প্রাণীর সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা প্রাণীর সঙ্গে সেইসব আচরণের নিন্দা করি যেখানে প্রাণীকে গবেষণার বস্তু বা পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

প্রাণীকে গবেষণার বস্তু বা পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে আমরা তাদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সহিংস আচরণ করি এবং তাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলি। আর তাই আমরা ঘোষণা করছি যে, প্রাণী-শোষণ অন্যায্য এবং নৈতিকভাবে সমর্থন করা যায় না।

প্রাণীর আচরণ সংক্রান্ত বিজ্ঞানে এবং স্নায়ুবিজ্ঞানে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, মাছ এবং অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণী সংবেদনশীল, অর্থাৎ, তারা সুখ-দুঃখ-আনন্দ-বেদনা অনুভব করতে সক্ষম এবং তাদের আবেগও আছে। এসব প্রাণী সচেতন এবং তাদের পারিপার্শ্বিক জগৎ সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় যে, তাদের নিজস্ব স্বার্থ আছে : আমাদের আচরণ তাদের কল্যাণময় জীবনকে প্রভাবিত করে। ফলে আমাদের আচরণ তাদের উপকার বা ক্ষতি করতে পারে। আমরা যখন একটি কুকুর বা শূকরকে আঘাত করি, আমরা যখন একটি মুরগির ছানা বা একটি স্যামন মাছকে বদ্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখি, আমরা যখন বাছুরকে বা নেউল জাতের আধা জলচর ক্ষুদ্র প্রাণীকে মাংসের জন্য হত্যা করি বা নেউল জাতের আধা জলচর ক্ষুদ্র প্রাণীকে চামড়ার জন্য হত্যা করি, তখন আমরা অত্যন্ত গুরুতরভাবে তাদের সবচেয়ে মৌলিক স্বার্থগুলো বাধাগ্রস্ত করে তুলি।

অথচ এসব ক্ষতিকর কাজ পরিহার করা সম্ভব। চামড়ার তৈরি পোষাক পরিধান করা থেকে বিরত থাকা, মানুষের সঙ্গে উত্তেজিত ষাড়ের লড়াই বা ঘোড়া, গরু ইত্যাদি প্রাণীকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিযোগিতার প্রদর্শনীতে যাওয়া বা শিশুদের চিড়িয়াখানার বন্দি সিংহ দেখতে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো পরিহার করা আমাদের পক্ষে অবশ্যই সম্ভব। ইতোমধ্যে আমাদের অনেকেই প্রাণিজ-খাদ্য না খেয়ে এখনো সুস্থ, সবল ও স্বাস্থ্যবান আছেন। এ ধরনের খাদ্যাভাস দ্বারা আমরা ভেগান অর্থনীতির বিকাশসহ এরূপ অনেক বিষয়কেই অধিকতর সহজ করে তুলতে পারি। রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের অধীন ও নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রাণীদের সম্পদ বা পণ্য হিসেবে বিবেচনা না করা সহজেই সম্ভব।

প্রাণিকূল মানব প্রজাতির অন্তর্গত নয় বলে তাদের ক্ষেত্রে নৈতিকতার বিষযটি অপ্রাসঙ্গিক মনে করা হয়। তাই একথা মনে করা স্বাভাবিক যে, মানুষের স্বার্থের তুলনায় প্রাণীর স্বার্থ কম। এধরনের অন্তর্জাত প্রজাতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণযোগ্য নয়। সব কিছু সমভাবে থাকলে শুধু একটি জৈবিক গোষ্ঠীর অন্তর্গত হওয়ার কারণে (তা সেটি প্রজাতি,ত্বক, রঙ বা লিঙ্গ দ্বারা চিত্রিত বা পরিচিত হোক না কেন) সেই গোষ্ঠীকে অসম মনে করা বা তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা যথার্থ নয়।

একই প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যের মধ্যে যেমন নানা বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে, ঠিক তেমনি মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও নানা বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে। তবে এ কথা অবশ্য স্বীকার করতে হয় যে, কিছু কিছু পরিশীলিত জ্ঞানীয় সামর্থ্যরে (cognitive ability) জন্য বিশেষ বিশেষ স্বার্থরক্ষার প্রয়োজন হয়ে পড়ে, এবং সে কারণে তা ভিন্ন ধরনের আচরণ করার ন্যায্যতা প্রদান করতে পারে। একজন ব্যক্তির সিম্ফনি রচনা করার সামর্থ্য, উচ্চতর গণিত সমাধানের সামর্থ্য, বা দূরবর্তী ভবিষ্যতের পরিকল্পনার সামর্থ্য অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য, কিন্তু এসব যোগ্যতা প্রাণীর আনন্দ উপভোগ করার ক্ষেত্রে বা কষ্টভোগ না করার ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। আমাদের মধ্যে অধিকতর বেশি বুদ্ধিমানদের স্বার্থ এবং অধিকতর কম বুদ্ধিমানদের স্বার্থ সমভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। অন্যভাবে বললে বলতে হয় : বুদ্ধিবৃত্তির সামর্থ্য দ্বারা প্রাণীর স্তরবিন্যাস বা শ্রেণি বিন্যাস করা নৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক। তাই বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা প্রাণীর স্তর বা শ্রেণি বিন্যাস করার দৃষ্টিভঙ্গি নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

সুতরাং, এই সিদ্ধান্তটি এড়িয়ে যাওয়া কঠিন : প্রাণীর সঙ্গে আমাদের অন্যায্য আচরণ তাদের জীবনধারা ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাই প্রাণী শোষণ নিতান্তই অন্যায্য। সুতরাং, প্রাণী শোষণ বন্ধের লক্ষ্যে আমাদের কাজ করা প্রয়োজন, বিশেষ করে জবাইখানা বন্ধ করা, মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা ইত্যাদি লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে, এবং উদ্ভিজ্জ-নির্ভর খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এসব কাজের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো মতভেদ ও বিভ্রান্তি নেই। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে না। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন হবে অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে প্রজাতিবাদী অভ্যাস পরিত্যাগ করা এবং এবং অসংখ্য প্রতিষ্ঠানকে মৌলিকভাবে রূপান্তরিত করা। যা হোক, আমরা বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রাণী-শোষণ বন্ধ হবে যা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং অ-মানব প্রাণীর জন্য একান্তই ন্যায়সঙ্গত।

Azimio la Montreal juu ya unyanyasaji wa wanyama

Sisi kama watafiti katika tasnia ya falsafa ya maadili na kisiasa. Kazi yetu imejikita katika mitazamo tofautitofauti ya kifalsafa, na ni nadra sana kujikuta tukikubaliana kitamzamo sisi kwa sisi. Hata ivyo, tunakubaliana juu ya umuhimu wa mabadiliko ya kina katika uhusiano wetu na wanyama wengine. Na tunalaani matendo yote yanayohusisha kuwatendea wanyama kama vitu au bidhaa.

Kwakadiri yanavyohusisha vurugu na madhara yasiyo ya lazima, tunatangaza kwamba unyanyasaji wa wanyama si wa haki na hauwezi kutetewa kimaadili.

Katika etholojia na neurobiolojia, imethibitishwa kuwa mamalia, ndege, samaki, na wanyama wengi wasio na uti wa mgongo wana hisia – yaani, uwezo wa kujisikia furaha, maumivu na hisia. Wanyama hawa ni viumbe wenye ufahamu; wana mtazamo wao kuhusu ulimwengu unaowazunguka. Inamaana kwamba wana maslahi: tabia zetu huathiri ustawi wao na zinaweza kuwafaidi au kuwadhuru. Tunapojeruhi mbwa au nguruwe, tunapoweka kuku au salmon katika vizuizi, tunapomchinja ndama kwa ajili ya nyama yake au mink kwa ajili ya ngozi yake, tunakiuka kabisa masilahi yao ya kimsingi.

Kimsingi, madhara haya yote yanaweza kuepukwa. Inawezekana kabisa kujiepusha na kuvaa ngozi, kuhudhuria matamasha ya mapigano ya mafahali na rodeo, au kuwaonyesha watoto simba waliofungwa kwenye hifadhi za wanyama. Wengi wetu tunaweza tayari kuishi bila vyakula vitokanavyo na wanyama na bado tuna afya, na maendeleo ya baadaye ya uchumi wa vegan itafanya mambo kuwa rahisi zaidi. Kwa mtazamo wa kisiasa na kitaasisi, inawezekana kuacha kuwaona wanyama kama rasilimali.

Kwamba viumbe hawa si wa spishi (kundi) ya Homo sapiens haina msingi kimaadili: Japokuwa inawezekana kufikiri kiurahisi kwamba maslahi ya wanyama yapo chini ukilinganisha na maslahi yawanadamu, mtazamo huu wa kibaguzi wa kibaologia hauna msingi wa kutosha na unaweza kushindwa kirahisi. Kila kitu kingine kuwa sawa, utofauti wa kibiologia kati ya viumbe (iwe umetokana na aina ya spishi (kundi), rangi ya ngozi, au jinsia) hauwezi kutumika kuhalalisha kutendewa kusiko kwa usawa.

Kuna tofauti kati ya wanadamu na wanyama wengine, kama vile ilivyo kwamba kuna utofauti ndani ya viumbe wa kundi moja. Ni kweli kwamba, baadhi ya uwezo wa juu wa utambuzi unaweza kupelekea kuibuka kwa maslahi ya aina fulani, ambayo yanaweza kutumika kuhalalisha upendeleo fulani. Lakini uwezo wa kutunga symphonies, kufanya mahesabu ya juu ya hisabati, au kufikiria kuhusu yajayo, japokuwa yana maana, ayawezi kuathiri kuzingatiwa ubora wa maslahi ya kiumbe wa kupata raha na kuepuka mateso. Maslahi ya wenye akili zaidi miongoni mwetu hayana umuhimu zaidi ya maslahi sawa ya wasio na akili. Kusema vinginevyo kunaweza kuwaweka watu binafsi katika madaraja ambavyo hayana msingi kimaadili. Mtazamo kama huo wa uwezo hauwezi kutetewa kimaadili.

Kwa hiyo ni vigumu kuepuka hitimisho hili: kwa sababu inadhuru wanyama bila lazima, unyanyasaji wa wanyama kimsingi sio haki. Kwa hivyo ni muhimu kufanya kazi kuelekea kutokomezwa kwake, haswa kwa kulenga kufungwa kwa machinjio, kupiga marufuku uvuvi, na kuendeleza mifumo ya chakula inayotokana na mimea. Ni ukweli usiopingika; mradi kama huo hautafikiwa kwa muda mfupi. Zaidi hasa, inahitaji kuachana na tabia za kibaguzi za spishi zilizokita mizizi na kubadilisha misingi ya taasisi nyingi. Hata hivyo, tunaamini, kwamba mwisho wa manyanyaso ya wanyama ndio upeo wa ushirikiano wa kipekee ambao ni wa kweli na wa haki kwa wasio wanadamu.